• বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

কামাল হোসেন, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ | ৯:২৬ pm
                             
                                 

সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে দলবেধে গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে ওই ধর্ষিতা কিশোরী মা দোয়ারাবাজার উপজেলার খাইরগাও গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে বিল্লাল হোসেন(৩০), একই গ্রামের মাহমুদ আলীর হোসাইন আহমদ (২০), সুরুজ আলীর ছেলে রিয়াজ উদ্দিস (২৩), মোজাম্মিল আলীর ছেলে আছকির আলী (২৫) ও তেরাপুর গ্রামের ইসমাইল মিস্ত্রির ছেলে আইয়ুব আলীকে (২০) নাম উল্লেখ করে দোয়ারাবাজার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং১৪/১২৩। ওই গণধর্ষণের শিকার কিশোরী বাড়ি উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামে।

থানায় মামলা দায়েরের পরে পুলিশ উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের খাইরগাও গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে অজ ২১ অক্টোবর বুধবার আদালতের প্রেরণ করে । কিন্তু অন্য ৪ আসামি এখনো রয়েছে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাহিরে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার সময় ১৪ বছরের ওই কিশোরী প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে একই গ্রামের বিল্লাল হোসেনসহ ওই পাঁচ বখাটে ওই কিশোরীর মুখ বেধে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর ওই কিশোরী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই তার মা বাবাকে বিষয়টি জানায় কিশোরী। কিন্তু ধর্ষকরা গ্রামের প্রভাবশালী হওয়ায় ওই রাত থেকেই কিশোরীর অভিভাবকদের মামলা না করতে এবং ধর্ষিতা কিশোরী ও তার অভিভাবকদের ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে ধর্ষণকারীর অনাত্মীয়া স্বজনেরা। ধর্ষকদের হুমকি ধামকিসহ বিষয়টি আপোষে মীমাংসা করার জন্য একাধিক বৈঠক পাশাপাশি ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার পর্যন্ত বিচার শালিসের নামে চলে আপোষে মীমাংসার বিভিন্ন নাটক । পরে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মেয়েটি শারীরিকভাবে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে বিষয়টি আশপাশের মানুষসহ এলাকাবাসী জানাজানির পারে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষক বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি মো. নাজির আলম এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি বিচার শালিসের নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা জানার পর তাৎক্ষণিক ঘটনার স্থলে গিয়ে এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছি। ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এবং অন্য অাসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর