• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

ছড়াচ্ছে মৌ মৌ ঘ্রাণ

গাছে গাছে ছেয়ে গেছে আমের মুকুল

মাসুদ মোশাররফ, শাহজাদপুর(সিরাজগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১ | ৩:১৭ pm
                             
                                 

মধুমাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে আসে আম গাছের মুকুল। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ি ও আম বাগানে আমের মুকুলের গন্ধে মৌ মৌ করছে।
মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস। তবে সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে তুলছে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনার গাছগুলোতে শোভা পাচ্ছে কেবলই আমের মুকুল। মুকুলে মুকুলে ছেঁয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আম গাছের মালিকদের ধারনা যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে।
এদিকে, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। ইতিমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন ।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, শাহজাদপুরে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ না হলেও স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অনেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছরও এ উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে। অকালে যেন মুকুল ঝরে না যায় সে ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে আমচাষিদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর