• শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
রামগঞ্জে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ১৫ পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ইমাম হোসেন শাহজাদপুরে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহি বাউত উৎসব ফুলবাড়িয়ার সকল মুক্তিযোদ্ধার কবর পাকা করে দিবেন আওয়ামীলীগ নেতা তপন তালুকদার ছাতকে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ চমেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে মণিরামপুর হাসপাতালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন কেশবপুরে পিকনিকের বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু জামালপুর হেল্পলাইনের ১০ হাজার মেম্বার পূর্তি উদযাপন আশাশুনিতে নবাগত ইউএনও’র যোগদান

পৌর এলাকায় নতুন মহামারী “শব্দ দূষণ”

কারেন্ট বার্তা
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১:৩৩ am
                             
                                 

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকাগুলোতে নতুন করে মহমারী হিসেবে শব্দ দূষণ টাকেই দায়ী করছেন সচেতন মহল। একদিকে গাড়ীর হর্ন সহ নানা শব্দে অতিষ্ঠ পৌরবাসী। এবার নতুন করে যোগ হলো নির্বাচনী প্রচারণার মাইকিং।

বলছি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনের কথা। এ নির্বাচন কেন্দ্র করে প্রচারণায় ব্যাস্ত প্রচার কর্মীরা । মাইক লাগিয়ে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাঁচ-সাতটি মাইক এক সঙ্গে লাইন ধরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে উচ্চশব্দে। আইন অমান্য করে হাসপাতাল, বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় উচ্চশব্দে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে প্রচারকর্মীরা।
এদিকে প্রধাণ বাজারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজি,হোন্ডা এবং বাস-ট্রাকের হর্ণে অতিষ্ঠ পৌর বাসী। তার সাথে যুক্ত হয়েছে মাইক বাজিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ৬০ ডেসিবেলের অধিক শব্দ যদি দীর্ঘসময় ধরে থাকে তাহলে সাময়িক বধিরতা আর ১০০ ডেসিবেলের বেশি হলে স্থায়ী বধিরতা (Permament Deafness) হতে পারে।

সারা বিশ্বে ৫ ভাগ মানুষ শব্দ দূষণের শিকার। ‘শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬’ হল একমাত্র আইনি হাতিয়ার, যা অনেক পুরনো এবং এতে অনেক আইনের ফাঁকফোকরও আছে। তবুও এটাই একমাত্র লিগ্যাল ইন্সট্রুমেন্ট।

এই বিধিমালা অনুযায়ী নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা, মিশ্র এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা, শিল্প এলাকা এরকম জায়গার ক্যাটাগরি অনুযায়ী দিন ও রাতের জন্য আলাদা আলাদাভাবে শব্দের ‘মানমাত্রা’ বা স্ট্যান্ডার্ড লেভেল নির্ধারণ করা আছে। তাতে দিনের বেলায় সবচেয়ে কম নীরব এলাকায় ৫০ ডেসিবেল আর সবচেয়ে বেশি শিল্প এলাকায় ৭৫ ডেসিবেল মাত্রার শব্দ অনুমোদনযোগ্য। অথচ রায়পুর পৌর এলাকায় রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৯৮.০০ ডেসিবেল!
পৌর এলাকায় বসবাসরত শিক্ষার্থী নাঈম আকবর প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে জানান, কলেজে আমাদের পরিক্ষা চলছে উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে প্রচারণায় আমাদের পরিক্ষার বিগ্ন ঘটছে।
অপর এক শিক্ষার্থী শ্রাবণী জানান, বাসা থেকে পরিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে বের হই কিন্তু পরিক্ষার হল-এ বসলে মাইকের শব্দে সব ভুলে যাওয়ার উপক্রম।

শব্দদূষণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির তালিকা নেহাত ছোট নয়। যেমন- কানে কম শোনা, বধিরতা, হৃৎকম্প, হৃদরোগ, শিশুদের লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক বিকাশ বিঘ্নিত হওয়া, খিটখিটে মেজাজ, পেটের আলসার, অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া, মানসিক উত্তেজনা ও উদ্বিগ্নতা বা অ্যাংজাইটি, স্ট্রোক ইত্যাদি।
কর্মজীবীদের ভেতরে কাজের দক্ষতা, মনোযোগ কমে যাওয়া ও সহজেই মেজাজ হারিয়ে ফেলার প্রবণতা দেখা যায়।

 

আজহারুল ইসলাম রাকিব

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 39
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর