• বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শ্রীপুরে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের করোনাকালীন অনুদানের অর্থ বিতরণ এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হওয়ায় ইসলামপুরে আনন্দ মিছিল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ফরিদুল হক সেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্যালাক্সি র তজুমদ্দিনে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচী পুনঃনিয়োগ পেলেন ইবি’র সহকারী তিন প্রক্টর বাঘারপাড়ায় সীমানা পিলার উদ্ধার, গ্রেফতার ১ শ্যামনগরে প্রতিবন্ধীদের সরকারি ও বেসরকারী কর্মসূচিতে অর্ন্তভুক্তিকরণ বিষয়ে মতবিনিময় সুন্দরগঞ্জে কৃষকলীগের র‌্যালী অবৈধ হাসপাতাল ও ল‍্যাবের তালিকা করবে চসিক তাহিরপুর সীমান্তে বর্ডার হাট পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাই কশিশনার

কুড়িগ্রামে কদু চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা

মুহাম্মদ রাসেল উদ্দিন, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর ২০২০ | ১০:৩৭ pm
                             
                                 

কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী চলতি শীতকালীন মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলার ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে ৯শ ৫০ হেক্টর জমির শাক-সবজি। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৬৫ হেক্টর জমিতে এখন পর্যন্ত কদু চাষ করা হয়েছে।

কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের ১নং শিবরাম আলুটারী গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম বলেন, আমি ৮ হাজার টাকা ব্যায়ে ১৫ শতক জমিতে বাদশা জাতের কদুর বীজ বপন করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। প্রতিটি কদু গড়ে ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি করেছি।

মোট ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে লাভবান হয়েছি। আমার অন্যান্য জমিতেও কদু গাছ লাগিয়েছি। আশা রাখি সেগুলোতে লাভবান হবো।

একই একই গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, আমি ২০ শতক জমিতে ময়না জাতের কদুর চাষ করেছি। প্রতিটি কদু ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতেছি। কদুর ফলনও ভালো হয়েছে। বর্তমান বাজার দর অব্যাহত থাকলে অনেক লাভবান হবো।

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের নওয়াবস গ্রামের কৃষক আমানুল হক জানান, জমিতে পরিবারের সবাই মিলে শ্রম দিয়েছি। নিজের গৃহপালিত গরুর গোবর থেকে সারের যোগান দেয়ায় মাত্র ৩ হাজার ২শ টাকা ব্যয়ে ৪০ শতক জমিতে লাল তীর ইস্পাহানি ও এসিআই জাতের কদু চাষ করেছি। কদু প্রতি পিচ বিক্রি করতেছি ৪০ টাকা দরে।

এখন পর্যন্ত ১৬-১৭ হাজার টাকার কদু বিক্রি করেছি। আশা রাখি বাজার দর ভালো থাকলে ৮০-৯০ হাজার টাকার কদু বিক্রি করতে পারবো।

আমি চাই আমার চাষ দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরা কদু চাষে উদ্বুদ্ধ হোক। কদু চাষে খরচ কম। কদু চাষে কৃষকরা এগিয়ে আসলে বাজারে চলমান সবজির ঘাটতি যেমন পূরণ হবে তেমনি তারা লাভবান হবেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কদুর চাষ দোআঁশ মাটিতে ভালো হয়।

নিয়ম অনুয়ায়ী পরিচর্যাসহ দোআঁশ মাটিতে কদু চাষ করলে ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকে। শাক হিসেবে চাষ করতে চাইলে প্রতি শতক জমিতে কদু শাক বিক্রি করে প্রায় ৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর