• মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

সুষ্ঠু ভোট না হলে সরকার পতন আন্দোলন : এস এম জাহাঙ্গীর

কারেন্ট বার্তা ডেক্স
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০ | ৬:৩৩ pm
                             
                                 

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের গেল নির্বাচনে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী ছিলেন তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন। এবার তাদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

রবিবার রাজধানীর ৬ নম্বর সেক্টরে এই গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় অসংখ্য নেতাকর্মীর ঢল নামে। তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন রাজউক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এতিমখানা, উত্তরা টেলিফোন ভবন, উত্তরা কমিউনিটি ক্লাব, উত্তরা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষে ভোট চান। সর্বশেষ কুয়েত-বাংলাদেশ মেডিকেল সংলগ্ন এলাকায় পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এস এম জাহাঙ্গীর।

তাবিথ ও ইশরাককে জনতার মেয়র উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর বলেন, ‌’এই দুজন হলেন আমাদের তরুণ প্রজন্মের রূপকার। তাদের নিয়ে আমরা ভোট কেন্দ্রে পাহারা বসাবো। আগামী ১২ নভেম্বর যদি ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া না হয়, তাহলে সরকার পতন আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘তাবিথ ও ইশরাক এই আসনে প্রচার শুরুর পর থেকে ধানের শীষের গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন। আমরা বলতে চাই, আগামী ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে বলব, আপনারা যদি জনগণের এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করতে চান, জনগণকে যদি ভোট কেন্দ্রে আসতে দিতে না চান, তাহলে জনগণই ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেবে, আগামী ১২ নভেম্বর দেশে কী হবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা আর দুর্নীতি-দুঃশাসন-নারী নির্যাতন দেখতে চাই না। আগামী ১২ নভেম্বর প্রমাণ করতে হবে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে সব অপশাসনের অবসান ঘটাবে এই এলাকার জনগণ।’

আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ অনেক অপপ্রচার করছে। আমরা যেখানে কর্মসূচি দেই, সেখানে তারা পাল্টা কর্মসূচি দেয়। আমাদের জনতার মেয়র তাবিথ আউয়াল আজ সকালে গণসংযোগস্থলে গিয়ে ফেরত এসেছে। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, কোনো রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত মাঠে আছি, মাঠে থাকব। আগামী ১২ নভেম্বর যদি ভোট দিতে দেওয়া না হয়, এখান থেকেই সরকার পতন আন্দোলন শুরু হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর