• মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শিগগির বাংলাদেশে ‘কোভ্যাক্সিন’র ট্রায়াল চালাতে চায় ভারত সাতক্ষীরায় জুলাই মাসে করোনায় ১৫, উপসর্গে ২০৫ জনের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জ ছিনতাইকৃত মহিষ আক্কেলপুরে উদ্ধার রবিউল এবার পেল সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, সমাজসেবা থেকে পেল আর্থিক সহায়তা বোয়ালমারীতে জেলা পরিষদ বানিজ্যিক ভবনের কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সুন্দরগঞ্জে টিকা সম্প্রসারণে অবহিতকরণ সভা মাধবপুরে কঠোর নজরদারিতে এসিল্যান্ড অভিযানে ১৩টি মামলায় জরিমানা সেই পরিত্যক্ত ঘরেই মারা গেলেন জনপ্রিয় শিক্ষক যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বর্জ্য, হুমকির মুখে পরিবেশ বকশীগঞ্জে ৩৩৩ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার!

পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ

কারেন্ট বার্তা ডেক্স
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১ | ৮:৫২ pm
                             
                                 

জৈষ্ঠ্যর এই সময়টি শুধু আম, কাঁঠাল কিংবা লিচুর নয়, সাথে জামও আছে কিন্তু। বাটি ভর্তি জাম মাখানো খেতে যতটাই সুস্বাদু, ততটাই স্বাস্থ্যকর।
তীব্র গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত যেন! এ সময়ে একটু সচেতন না হলেই দেখা দিতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে হয়।
গ্রীষ্মের সব ফল এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।করোনাভাইরাসসহ যে কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধে বাড়ানো প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এ কাজে আপনাকে সাহায্য করবে মৌসুমি ফলগুলো।
অন্য সব মৌসুমি ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। কালো জাম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল।
কালো জামের অ্যান্থোসায়ানিন হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। পটাশিয়াম উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি-রেডিক্যাল কমিয়ে ত্বকের টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে। জামের খনিজ লবণ হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করতে সাহায্য করে। শর্করা কম থাকায় এবং খাদ্য–আঁশের উপস্থিতির কারণে কালো জাম খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিনই কালো জাম খেতে পারেন বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।

নির্বিচারে বৃক্ষ নিধনের ফলে হারিয়ে যাচ্ছে দেশি ফল জাম। এ ফল এখন চলে গেছে দামি ফলের তালিকায়। এক সময় প্রচুর জাম গাছ চোখে পড়লেও এখন তেমন দেখা যায় না। অত্যন্ত ঔষধি গুণসম্পন্ন পাকা জামের মধুর রসে এখন আর মুখ আগের মতো রঙিন হয় না। পতিত জায়গাগুলোতে জামের চারা রোপণ করে একদিকে যেমন আমাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর