• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ১০:৫১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

রৌমারীতে ১৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি

মো: এমদাদুল হক, রৌমারী (কুড়িগ্রাম)
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০ | ৭:৫৩ pm
                             
                                 

ভয়াবহ বন্যার তান্ডবে রৌমারীতে ১৯০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে গেছে। ১৫টি নদ-নদী দ্বাড়া বেষ্টিত দেশের উত্তরা লীয় সীমান্তবর্তি জেলা কুড়িগ্রাম।

জেলাটি ভারত লাগোয়া হওয়ায় লালমনির হাট , নাগেশ্বরী , উলিপুরের যাত্রাবাড়ী ও রৌমারীর উত্তরে সাহেবের আলগা হয়ে তিস্তা,ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে ভারত থেকে বয়ে আসা পাহাড়ী ঢল ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করে। প্রায় মাসাধিক কাল ধরে টানা বর্ষনের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুড়িগ্রামের ১৫টি নদ-নদী ফুলে-ফুসে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এতে প্লাবিত হয় কুড়িগ্রাম জেলার ১২টি উপজেলা।

এর মধ্যে রৌমারী রাজিবপুর উপজেলা নদী কূলীয় হওয়ায় এতে প্রায় ৩লাখ মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলায় ৫৪০টি শিক্ষা প্রকিষ্ঠান পানিতে ডুবে যায়। এর মধ্যে রৌমারীতে ১১৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৮ মাধ্যমিক মাদ্রাসা ২৬টি, কলেজ ৭টি ও কিন্ডার গার্ডেন স্কুল ৪০টি। সকল প্রতিষ্ঠান পানি রন্দি হয়ে পড়েছে। ২,৪টি প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেনি । সেসব জায়গায় বানভাসি অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিষ্ঠান গুলি পানিতে ডুবে যাওয়ায় অবকাঠামো দূর্বল হয়ে পড়েছে। বন্যার পানির তোড়ে অনেক স্কুল মাঠের মাটি সরে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম , মাধ্যমিক কর্মকর্তা এবিএম নকিবুল হাসান বলেন, এবারের বন্যা দির্ঘস্থায়ী ও ব্যাপক আকার ধারণ করে। যারফলে প্রতিষ্ঠনের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

এবিষয়ে রৌমারী উপজেলা নিবাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, বন্যার ব্যাপকতার কারণে রৌমারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , গ্রামীণ সড়ক, ও বানভাসি মানুষের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। বন্যার পানি চলে যাওয়ার পর শুকনা মৌসুমে উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিয় এর মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে অবগত করানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর